Tips

৩১। হোস্টেলে থাকুন – হোস্টেলে রেস্তরা বা মোটেলের চাইতে অনেক কম খরচে থাকা যায়। এছাড়া, এখানে থাকলে অনেক মানুষের সাথে পরিচয় হওয়া, সস্তায় সবকিছু পাওয়াও সম্ভব।

৩২। বিভিন্ন অতিথিসেবার সাইটগুলিতে ভিজিট করুন – এই ধরনের সাইটগুলি আপনাকে প্রথম অবস্থায় আপনি যে স্থানগুলি ভিজিট করবেন আর সেখানকার স্থানীয়দের ব্যাপারে আপনাকে একটা প্রাথমিক ধারণা দেবে।

৩৩। অপরিচিতদের সাথে খোলামেলা হতে চেষ্টা করুন – সবাই একরকম নয়। অপরিচিতদের সাথে খোলামেলা হন, দেখা হলে হাই দিন। তারাও হয়ত আপনার মত সুখী, সুন্দর, সুস্থ জীবন কামনা করে। আর কে জানে, এর মাধ্যমে আপনি হয়ত আজীবনের ভাল বন্ধুও পেয়ে ফেলতে পারেন!

৩৪। তবে একটু সাবধান থাকুন – সবাই একরকম নয়! এটা অন্যভাবেও চিন্তা করা যায়। কেউ কেউ বাগে পেয়ে ক্ষতিও করতে পারে। তাই, বন্ধুত্ত বজায় রাখলেও সাবধান থাকা ভাল। দিনশেষে, সাবধানের মাইর নাই।

৩৫। খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনুন – নতুন জায়গায় গেলে নতুন খাবার পরখ করুন। নতুন অভিজ্ঞতা হবে। নিজের রুচিরও পরিবর্তন হবে।

৩৬। ট্যাক্সি এড়িয়ে চলুন – বাজেটের ব্যাপার ছাড়াও নতুন জায়গার সাথে মিশে যেতে ট্যাক্সি এড়িয়ে চলুন।

৩৭। খালি বোতল এয়ারপোর্টের সিকিউরিটি পর্যন্ত নিয়ে যান এরপর পানি নিন – এর মাধ্যমে একদিকে আপনার বাজেট সেইভ হবে অন্যদিকে পরিবেশও সুরক্ষা পাবে।

৩৮। হেঁটে হেঁটে ট্যুর দিন! – কোথাও ভিজিট করলে শুধুমাত্র সেখানকার আকর্ষণীয় স্থানগুলি ছাড়াও আশেপাশের রাস্তাগুলিতে হাঁটুন ও মানুষের ভিড়ে একত্রিত হওয়ার চেষ্টা করুন।

৩৯। শহরের পাসকার্ড সংগ্রহ করুন – আপনি কোন শহরে ঘুরতে গেলে সেখানকার জাদুঘর, স্টেডিয়াম, লাইব্রেরী, স্থাপত্য ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানসমূহে যদি যান সেক্ষেত্রে শহরের পাসকার্ড সংগ্রহ করুন। এতে সময় বাঁচবে প্লাস ফ্রি যাতায়াতের সুবিধাও পাবেন।

৪০। নিজের লাগেজ ও পরিধেয় বস্তুর ছবি তুলে রাখুন – যদি বাইচান্স আপনার ব্যাগ হারিয়ে যায় তাহলে তোলা ছবি দিয়ে ব্যাগ শনাক্তকরন করতে সুবিধা হবে।

৪১। জরুরির জন্যে আরও কিছু অর্থ সঙ্গে রাখুন – বিপদাপদ বলে কয়ে আসেনা। তাই প্রস্তুত থাকা ভাল। যদি বাইচান্স আপনার এটিএমে অর্থ না থাকে বা হারিয়ে যায় এজন্যে সাথে কিছু অর্থ গচ্ছিত রাখুন। কাজে দিবে।

৪২। ভাল জুতা পরিধান করুন – নিজের পায়ের যত্ন করুন ও ভাল জুতা পরিধান করুন। এই দুইয়ের কম্বিনেশন আপনাকে চমৎকার জায়গায় নিয়ে যাবে।

৪৩। তরতাজা ও চাঙ্গা থাকুন – বাইরে কোনখানে অসুস্থ হওয়াটা ভীষণ বিরক্তিকর। তাই তরতাজা ও ফিট থাকুন।

৪৪। দর কষাকষি করুন – এটাও ট্র্যাভেলের আনন্দের একটি অংশ। শুধু মার্কেটপ্লেস নয় সবখানেই দরাদরি করতে শিখুন। এতে নিজের মানোন্নয়ন হবে।

৪৫। ফ্রি ট্র্যাভেলিংয়ের জন্য মাইলস এবং পয়েন্টের ব্যব্যহার জানুন – আপনি চাইলে অনেক দূরে যেতে পারেন যদি একটু বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ করেন। ট্র্যাভেল হ্যাকিং শিখুন এতে খরচ অনেক কমে যাবে ও কম বাজেটের মধ্যে অনেকখানি ঘুরতে পারবেন।

৪৬। জ্যাকেট নিন – রাতের জন্য নিন অধিকতর শীতের সময় কাজে লাগতে পারে।

৪৭। রাস্তার খাদ্য খান – ভয় পাবেন না এটা করতে তা না হলে অপরিচিত সংস্কৃতির অনেকখানি অচেনাই ঠেকে যাবে। রাস্তায় যদি শিশুরা খেয়ে থাকে, তবে ভাববেন এটা আপনার জন্যেও নিরাপদ।

৪৮। ভ্রমণ বীমা চালু করুন – নিয়মিত ভ্রমণ করে থাকলে ভ্রমণ বীমা করিয়ে রাখুন। রাস্তায় বা অপরিচিত স্থানে কোন বিপদ ঘটে থাকলে এটি আপনাকে দেবে বাড়তি নিরাপত্তা।

৪৯। ধৈর্য ধরুন – অপেক্ষা করুন। সবকিছুই আস্তে ধীরে হবে। তাড়াহুড়ার কিছু নেই। ভ্রমণ একটি জার্নি, কোন গন্তব্য নয়।

৫০। সম্মান দিতে শিখুন – স্থানীয়রা আপনাকে সাহায্য করবেন। তবে, এতে কিছু বাধাধরা থাকে। যেমন ভাষা সম্পর্কিত। একটু ধৈর্য ধরে বুঝিয়ে বলুন নতুবা একজন গর্দভ হিসেবে ঠেকতে পারেন।

৫১। ট্রিপের সময় অতিরিক্ত প্ল্যান করবেন না – শিডিউল যেভাবে ফিট করা সেভাবেই হতে দিন। ওভারপ্ল্যান করলে হিতে বিপরীত হতে পারে।

৫২। নিজেকে ভারমুক্ত রাখুন – ব্যাক্তিগত, পারিবারিক কোন সমস্যা ট্রিপের সময় মনে আনবেন না। সম্পূর্ণ ভারমুক্ত রাখুন নিজেকে।

৫৩। সস্তামি বাদ দিন – মিতব্যায়ি হন কিন্তু সামান্য কিছু অর্থের জন্য কিছু শান্তির মুহূর্ত দূরে ঠেলে দিবেন না। টাইম ইজ মানি। দুটোরই সদ্যবহার করুন সঠিকভাবে।

৫৪। এয়ারপ্লাগ সঙ্গে নিন – এয়ারপ্লাগ সাথে নিন। ঘুমের জন্য উপকারী হবে।

৫৫। এক্সট্রা পোর্ট রাখুন – ভ্রমণের সময় আলাদা পোর্ট রাখুন সাথে।

৫৬। ছবি তুলুন – আজ থেকে অনেক বছর পর যখন ছবিগুলি দেখবেন নিজের মনের অজান্তেই এক অন্যরকম ভাললাগা তৈরি হবে।

৫৭। অনলাইন টিকেট বুক করুন – যদি আপনি ট্র্যাভেলিং এর সময় আরও এক্সট্রা কিছু করতে চান তাহলে অনলাইনে টিকেট বুকিং দিন। তারা ম্যান টু ম্যান এর চাইতে অনলাইনেই ছাড় দেন বেশি।

৫৮। ফ্লাইট ডিলের ব্যাপারে আগেই বন্দোবস্ত করুন – যেকোন ফ্লাইট ডিল আগে থেকেই ঠিকঠাক করে ফেলুন। এতে ঝামেলা কমে যাবে অনেকাংশে।

৫৯। আকর্ষণীয় স্থানগুলিতে আগেভাগেই বুকিং করে ফেলুন – বেশিরভাগ আকর্ষণীয় স্থানগুলিতে দেখা যায় টিকেট আগেভাগেই বিক্রি হয়ে যায়। সেজন্যে সেখানে আগেই বুকিং দেয়া উত্তম।

৬০। ট্রিপউপদেষ্টা বর্জন করুন –  ট্রিপউপদেষ্টা রাখা ভাল কিন্তু দেখা যায় এদের কথা শুনলে অনেকসময় হিতে বিপরীত হয়। কেননা, এরা এদের সাথে বাজে কিছু ঘটে থাকলে প্রচুর নেগেটিভ কথাবার্তা বলে কিন্তু পজিতিভ কিছু হলে সেভাবে আর বলতে চায়না।

৬১। সবশেষে, সানগ্লাস পরিধান করুন – এটি আপনার মুখ ফ্রেশের পাশাপাশি আপনার স্টাইল ও ব্যাক্তিত্তকেও ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করবে।

৬২। সাথে অবশ্যই একটি পাওয়ার ব্যাঙ্ক রাখবেন যাতে মোবাইল বন্ধ হয়ে পরিবার থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন না হয়ে যান

আগের ৩০ টি টিপস